আপডেট: ১১:২৫, সোমবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
নিয়ম অনুযায়ী কর্মচারীরা মাসে দুই সপ্তাহে এই সুবিধা নিতে পারবেন। তবে যারা নির্ধারিত ৪০ ঘণ্টার কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য আগের পাঁচ দিনের কর্ম সপ্তাহই বহাল থাকবে।
ইন্দোনেশিয়ার মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি ও তথ্যবিষয়ক উপমন্ত্রী টেডি ভরত বলেন, “যারা এক সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার কাজ সম্পন্ন করতে পারেন, তারা চাইলে চার দিনের কর্ম সপ্তাহ নিতে পারবেন। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয় এবং অনুমোদন সাপেক্ষ।”
গত বছরের মার্চে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করা।
মন্ত্রণালয়ের প্রধান এরিক তোহির বলেন, “তরুণ কর্মচারীদের মধ্যে ৭০ শতাংশ মানসিক সমস্যায় ভুগছে। এই কর্মসূচি তাদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে।” তিনি আরও বলেন, “এই উদ্যোগ কর্মীদের অলস বানানোর জন্য নয়। এটি এমন নয় যে প্রত্যেক শুক্রবার ছুটি থাকবে। যারা নির্ধারিত ৪০ ঘণ্টা কাজ সম্পন্ন করবেন, শুধুমাত্র তারাই অতিরিক্ত একদিন ছুটি পাবেন।”
এক জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ কর্মীই কর্ম-জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার এই উদ্যোগের পক্ষে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও চার দিনের কর্ম সপ্তাহ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে—
বেলজিয়াম ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২২ সালে চার দিনের কর্ম সপ্তাহ চালু করে। এছাড়াও জাপানের কিছু শহরে পরীক্ষামূলকভাবে চার দিনের কর্ম সপ্তাহ চালু করা হয়েছে, কারণ প্রতি বছর সেখানে ৫৪ জন কর্মী অতিরিক্ত কাজের ফলে মারা যান।
২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের ২০০টি কোম্পানি স্থায়ীভাবে চার দিনের কর্ম সপ্তাহ গ্রহণ করেছে এবং কর্মীদের বেতন অপরিবর্তিত রেখেছে।
এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে সপ্তাহে তিন দিনের ছুটির সংস্কৃতি সাধারণ নিয়ম হয়ে যাবে।

0 Comments