![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প (বামে) ও নরেন্দ্র মোদি। ফাইল ছবি |
ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণার সময় থেকেই ভারতের চড়া শুল্কের হার নিয়ে হুঁশিয়ারি দেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি মেক্সিকো, কানাডা, চীন থেকে আমদানি করা পণ্যে চড়া শুল্ক আরোপ করেছেন। জবাবে কানাডা, মেক্সিকো, চীনও পাল্টা মার্কিন পণ্যে চড়া শুল্ক বসিয়েছে। সেখানে ভারতের মোদি সরকার আগেভাগেই সতর্ক। তারা মার্কিন পণ্যের ওপর আরোপিত চড়া শুল্ক প্রত্যাহার করে নিল।
বিরোধীদের প্রশ্ন, শুক্রবারের বাজেটে আমেরিকার হার্লে ডেভিডসনের চড়া দামের বাইক, টেসলার গাড়ির মতো বিলাসবহুল পণ্যে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। হার্লে ডেভিডসন বাইকের উপরে চড়া শুল্ক নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের শাসনামলেও আমেরিকা সরব ছিল। এবার ট্রাম্প ভারতের উপরে কোনও শুল্ক বসানোর আগেই মোদি সরকার নরম সুর নিল।
ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রের ব্যাখ্যা, ২০১৯-এ আমেরিকা ভারতীয় পণ্যকে আমেরিকার বাজারে অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যবস্থা প্রত্যাহার করে নেয়। সেই সঙ্গে ভারত থেকে কিছু ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের পণ্য, কাঠবাদাম, ছোলা, মসুর ডালের উপরে আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দেয়। পাল্টা জবাবে ভারত আমেরিকার ২৮টি পণ্যে চড়া শুল্ক বসায়। দু’বছর আগে মোদির আমেরিকা সফরের পরে এর মধ্যে ৮টি পণ্যে চড়া শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়। এবার বাকি ২০টি পণ্যে চড়া শুল্ক প্রত্যাহার করা হলো।

0 Comments